সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬ ০৭:১২ এএম
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডি উপকূল জয়ের দিন ডি-ডে’র ৭৫ বছরপূর্তিতে অন্য বিশ্বনেতাদের মতো ইউরোপে আমন্ত্রণ না পাওয়ার ঘটনাকে ‘সমস্যা’ হিসেবে দেখছেন না বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্ল্যাদিমির পুতিন।
সর্বশেষ ২০১৪ সালে ডি-ডে’র ৭০তম বার্ষিকীতে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
বৃহস্পতিবারের আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের অন্যান্য দেশের নেতৃবৃন্দ থাকলেও রাশিয়ার কোনো শীর্ষ নেতাকে দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি।
গত শতকের মাঝামাঝি হওয়া ওই বিশ্বযুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের আড়াই কোটিরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।
সংখ্যার বিচারে এটি ছিল যে কোনো দেশের তুলনায় অনেক বেশি।
পশ্চিমা দেশগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসকে নিজেদের মতো করে উপস্থাপন করে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের অবদান ও ত্যাগের মূল্যায়ন করতে চায় না বলেও অভিযোগ রাশিয়ার।
ডি-ডে ‘মোটেও যুদ্ধের পট পরিবর্তনের দিন ছিল না’, চলতি বছর এমন দাবিও করেছে পুতিনের সরকার।
ইউরোপে আমন্ত্রণ না পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছেন, নিজের দেশেই তার অনেক কাজ পড়ে আছে।
ডি-ডে’র ওই অভিযানেই ‘যুদ্ধের ভবিষ্যৎ’ ঠিক হয়ে গিয়েছিল বলে বৃহস্পতিবার নরম্যান্ডিতে নিহত যোদ্ধাদের স্মরণ করে বলেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে।
এ ভাষ্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, স্টালিনগ্রাদ ও কুর্সকে সোভিয়েত রেড আর্মির হাতে জার্মান বাহিনীর পরাজয়ের পরই কেবল নরম্যান্ডি জয় অনিবার্য হয়ে উঠেছিল।
“দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল নির্ধারণে নরম্যান্ডি অভিযান মোটেও এতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না,” বলেছেন রুশ সরকারের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভ।
পশ্চিমা দেশগুলো কেন তাদের ফ্রন্টকেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করতে চায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাশিয়ার জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম কমোসোমোস্কায়া প্রাভদা।
মিত্রবাহিনী যেন পশ্চিম ইউরোপের দ্বিতীয় যুদ্ধক্ষেত্র খুলতে পারে সে অপেক্ষায় সোভিয়েত বাহিনীর লাখ লাখ সৈন্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছে তারা।
“১৯৪১ সাল থেকে ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে সোভিয়েত সেনারা প্রাণ না দিয়ে গেলে নরম্যান্ডিতে অবতরণের ঘটনার দেখাই পাওয়া যেত না,” বলেছেন এক রুশ টেলিভিশন উপস্থাপক।
ডি-ডে’র আগের তিন বছর মস্কো ইউরোপের পূর্ব অংশে জার্মান বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই জারি রেখেছিল। ডি-ডের অভিযান পশ্চিম ইউরোপকে নাৎসি জার্মানির কবল থেকে মুক্ত করেছিল।
রাশিয়া অবশ্য পশ্চিমের উদযাপনের দিকে কখনোই তাকিয়ে ছিল না।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি উপলক্ষে তারা প্রতিবছরই বিশাল আকারের সামরিক মহড়া ও কুচকাওয়াজ করে; স্মরণ করে ওই মহারণে হতাহত সোভিয়েত বীরদের।
অব্যাহত ইসরায়েলি হামলায় গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রাণহানি ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে ... বিস্তারিত
আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরব ও রাশিয়া দিনে যথাক্রমে ১০ লাখ ও তিন লাখ ব্যারেল তেল কম উত্তোলন করব... বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দুটি সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। প্রধান মিত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্... বিস্তারিত
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু অঙ্গীকার করেছেন, যুদ্ধের পর ইসরায়েল গাজার 'সার্বি... বিস্তারিত
According to reports from the UN Secretary-General on children and armed conflict, a total of 2,985 children were killed across 24 countries in 2022, 2,515 in 2021, and 2,674 in 2020 across 22 countries, Save the Children said.“One child’s death is one t... বিস্তারিত
৩২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নির্মাণ ব্যয় ও গ্যাসের মূল্য ব... বিস্তারিত
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আলাদা কার্য... বিস্তারিত
এক বছর আগে ঘোষিত দরের চেয়ে ১-২ টাকা বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় ছয়টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্... বিস্তারিত
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জন... বিস্তারিত
চোখের ইশারায় খুলে যাবে অ্যাপ, আঙুলে ছুঁয়ে সরাতে হবে স্ক্রিন। মাথা নাড়ালেই হবে অনেক কাজ। প্রযু... বিস্তারিত