সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৪৫ এএম
এলপিজির বাজার নিয়ন্ত্রণে কারোর যেন কোন দায়দায়িত্ব নেই। ফলে এলপিজি গ্রাহকরা ডিলার আর খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও গ্রাহকরা ওই সুফল পাচ্ছে না। কিন্তু কোন কারণে বিশ্ববাজারে দাম একটু বাড়লেই দেশে কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে। গ্যাস সঙ্কটের দোহাই দিয়ে সরকার গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে দেয়ায় এলপিজিতে শহরের মানুষের নির্ভরতা বেড়ে গেছে। পাশাপাশি ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায় গ্রামের মানুষও এখন এলপিজি ব্যবহার করছে। বলা যায় দেশে রান্নাঘরের প্রধান জ্বালানি এখন এলপিজি। প্রতিবছর এর চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের সঙ্গে ব্যাপক সম্পৃক্ত
এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। জ্বালানি বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজি কোম্পানির লাইসেন্স দেয়। কিন্তু নিয়ন্ত্রক ওই সংস্থাটি গ্যাস-বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করলেও এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করে না। বছর কয়েক আগে এলপিজির দাম নির্ধারণে বিইআরসি নীতিমালা করার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বিগত বিগত ২৯১৭ সালের মার্চে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, সরকার ২ মাসের মধ্যে এলপিজির মূল্য নির্ধারণে একটি নীতিমালা করবে। কিন্তু ২ মাসের জায়গায় ২ বছরের বেশি সময় পার হলেও নীতিমালা আর হয়নি।
সূত্র জানায়, প্রভাবশালীরাই নিয়ন্ত্রণ করছে দেশের এলপিজি ব্যবসা। তারা তাদের খেয়ালখুশি মতো বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে এলপিজির বাজার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে তা বাস্তবায়ন করানো কঠিন হয়ে পড়েছে। গতবছর এক বৈঠকে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বাস্তবায়নের জন্য পরের বৈঠকটি আর করাই সম্ভব হয়নি। অনিবার্য কারণে ওই বৈঠক বাতিল করা হয়েছে। তাছাড়া বিইআরসির এলপিজির নিরাপত্তা দেখার মতো কোন অবকাঠামো ও লোকবল নেই। এলপিজি উদ্যোক্তাদের সেজন্য পৃথকভাবে বিস্ফোরক পরিদফতরের কাছ থেকে লাইসেন্স নিতে হয়।
সূত্র আরো জানায়, বর্তমানে দেশে এলপিজির চাহিদা ১০ লাখ মেট্রিক টন। আর ২০২৫ সালে দেশে এলপিজির চাহিদা বেড়ে হবে ৩০ লাখ মেট্রিক টন। দেশে এখন গৃহস্থালি গ্যাসের পাশাপাশি গাড়ি চালাতেও এলপিজি ব্যবহৃত হচ্ছে। বাণিজ্যিক ভবনেও কোন কোন ক্ষেত্রে এলপিজি ব্যবহার হচ্ছে। গ্রাহককে যেন ঠকাতে না পারে এজন্য বোতলের গায়ে দাম লিখে দেয়ার বিষয়ে মন্ত্রণালয় একবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে গত বছর জুনে প্রতিটন প্রপেন এবং বিউটেনের দাম ছিল ৫৬০ ডলার। ওই বছরের শেষের দিকে দাম কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল। আর ওই বছরের শুরুতেই সৌদি এ্যারামকোর দাম বাড়াতে শুরু করেছে। বাজার দর অনুযায়ী ১ জুন থেকে এলপিজির কাঁচামাল প্রতি টন প্রপেন ৪৩০ ডলার আর বিউটেনের দাম ৪১৫ ডলার। বিশ্ববাজারে দাম কমায় এর সুফল ভোক্তারও পাওয়া উচিত। কিন্তু পহেলা জুন থেকে বটলিং স্টেশন থেকে প্রতি ১২ কেজি এলপিজির বোতল বিক্রি করা হচ্ছে ৮৭০ টাকায়। কিন্তু সাধারণ ভোক্তার ঘরে ওই গ্যাস যাচ্ছে এক হাজার ৫০ থেকে এক হাজার একশ’ টাকায়। অর্থাৎ ভোক্তার ঘর পর্যন্ত পৌঁছাতে আরো ২৩০ টাকা দাম বাড়ছে। তাদের ওপর না সরকারের, না এলপিজি উদ্যোক্তাদের কোন নিয়ন্ত্রণ আছে।
এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলপিজি এমন একটি খাত, যার কোন কিছুর দায় সরকার নিতে চায় না। অথচ সরকারের উচিত নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা। কিন্তু তার কিছুই করা হয় না। বিপরীতে এলপিজি কোম্পানি সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতিমাসে বিশ্ববাজারের দামের ওপর নির্ভর করে এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ হয়। ফলে বারবার বোতলের ওপর দাম লেখা সম্ভব নয়। আর বিষয়ে সরকারের কোন নির্দেশনাও তাদের কাছে নেই। তাদের দাবি- বাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আমাদের নেই। সেটি সরকারকে করতে হবে। কারণ ডিলারদের উচ্চমূল্যে বিক্রির বিষয়ে কোন নির্দেশ দিলে দেখা যাবে তারা আর বোতল নিচ্ছে না। বাজারে এখন অনেকে রয়েছে, তাদের কাছ থেকে দেবে। আর কেউ না কেউ তাকে বোতল দেবে।
অন্যদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসির সদস্য মিজানুর রহমান জানান, এলএনজি এলে গ্যাসের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে এলপিজির দর কত হতে পারে সে বিষয়ে একটি রিপোর্ট দিতে বিইআরসি’কে বলা হয়েছে। কিন্তু এখনো ওই কাজ শেষ হয়নি। লাইসেন্সি হিসেবে বিইআরসি শুধু তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখে। দাম নির্ধারণ করে না। আর প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হতে পারে এমন বাজার দর বিইআরসি নির্ধারণ করে না।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আলাদা কার্য... বিস্তারিত
এক বছর আগে ঘোষিত দরের চেয়ে ১-২ টাকা বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় ছয়টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্... বিস্তারিত
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জন... বিস্তারিত
In an interview with UN News, UN Human Rights Council-appointed expert Francesca Albanese, said it was “impossible to describe the pain and suffering that Israelis are going through because of what happened to them...because there are not only those who wer... বিস্তারিত
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে অর্গানিকো কেয়ার নামক একটি কোম্পানির ‘ঘি’ -এর মান ... বিস্তারিত
ব্যবসায়ীদের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তাদের দেশ ও মানুষে... বিস্তারিত
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আলাদা কার্য... বিস্তারিত
এক বছর আগে ঘোষিত দরের চেয়ে ১-২ টাকা বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় ছয়টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্... বিস্তারিত
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জন... বিস্তারিত
চোখের ইশারায় খুলে যাবে অ্যাপ, আঙুলে ছুঁয়ে সরাতে হবে স্ক্রিন। মাথা নাড়ালেই হবে অনেক কাজ। প্রযু... বিস্তারিত