রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬ ১২:৪৮ পিএম
১৯৬০ সাল থেকে কর্মজীবী বাংলাদেশিরা ভিড় জমাতে শুরু করে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র কানাডায়। তার কয়েক বছর পর থেকে অনেক বাংলাদেশি কাজের বাইরেও শিক্ষা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কারণে কানাডায় যেতে শুরু করে। তখন থেকেই দেশটিতে বাংলাদেশিদের পরিমান উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।
বর্তমানে কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। একসময় কানাডার বিভিন্ন শহরে ভারতীয়সহ অন্য দেশের অভিবাসীরা একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্য করতো। কিন্তু দৃশ্যপট পাল্টেছে। বর্তমানে অন্যান্য দেশের পাশাপাশি অনেক খাতে একচেটিয়া ব্যবসা করছে বাংলাদেশিরাও। শুধু তাই নয়, অনেকে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী এরইমধ্যে আমেরিকা মহাদেশের সবরচয়ে
বড় এ দেশটিতে প্রথম সারির ব্যবসায়ীর কাতারে নাম লিখিয়েছেন। অনেক বাংলাদেশি বিভিন্ন মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসা ছাড়াও রেস্টুরেন্ট, গ্রোসারি, মিষ্টির দোকান, পিঠাঘর, বুটিক শপসহ নানা রকম পসরা নিয়ে দোকান খুলে বসেছেন।
কানাডার বৃহত্তম শহর টরন্টোতে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশির বাস । দেশটির সবচেয়ে জনবহুল এ শহরে বাংলাদেশিরা চাকরির পাশাপাশি বঃবসাদেও সফল। সেখানে দোকানসহ নানা ব্যবসা তো আছেই, বেশ কয়েকটি কোচিং সেন্টারও খুলেছেন বাংলাদেশিরা। এ ছাড়া ড্রাইভিং স্কুল পরিচালনা করছেন কয়েকজন বাংলাদেশি। শুধু নিজস্ব কমিউনিটি নয়, অন্য দেশের অভিবাসীরাও তাঁদের ভোক্তা। বাংলাদেশি মালিকানাধীন রেস্টুরেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘরোয়া রেস্টুরেন্ট, সুইস বেকারি অ্যান্ড ফাস্টফুড, মক্কা রেস্টুরেন্ট, রেড হট তন্দুরি কাবাব অ্যান্ড কারি ও ক্যাফে ডি তাজ। গ্রোসারির মধ্যে মারহাবা সুপার মার্কেট, সরকার ফুডস, নিশিতা ফার্ম ফ্রেশ, চকবাজার ও তাজমহল গ্রোসারি উল্লেখযোগ্য। বুটিক হাউসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দেশি দশ ও শাড়ি হাউস।
বর্তমানে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ও অন্যদেশ থেকে বেশ এগিয়ে বাংলাদেশিরা। কমিউনিটির অনেকেই বাড়ি কিনতে তাঁদের দেশীয় ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা নিয়ে থাকেন। টরন্টোতে বাংলাদেশি আইনজীবীও রয়েছেন, যাঁরা বাড়ি কেনা থেকে শুরু করে অন্যান্য ক্ষেত্রে আইনি সহায়তা দিয়ে থাকেন। বাংলাদেশিদের মালিকানায় কয়েকটি মানি এক্সচেঞ্জও রয়েছে টরন্টোতে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো প্রায় প্রতি সপ্তাহেই কোনো না কোনো আয়োজন করে থাকে। অনেকেই বাংলাদেশ থেকে জনপ্রিয় শিল্পীদের নিয়ে বিশেষ আয়োজন করেন।
বাংলাদেশি সংস্কৃতি পরবর্তী প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নাচ, গান, শুদ্ধ বাংলা ভাষা চর্চার স্কুলও পরিচালনা করছেন অনেক প্রবাসী। কানাডার বড় শহরগুলো থেকে বাংলা ভাষায় সাপ্তাহিক ও পাক্ষিক সংবাদপত্র বের করেছে বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশিদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান আর প্রয়োজনীয় তথ্যের খবরাখবর জানতে সেখানকার পাঠকদের মধ্যেও বেশ আগ্রহের খোরাক যোগাচ্ছে এই পত্রিকাগুলো। বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে কানাডার বুকে সমুন্নত রাখতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বর্তমানে বাংলাদেশিরা অনেক দেশের তুলনায়ই নিজেদের অবস্থানকে অনেক শক্ত ভীতে দাড় করিয়েছে।
স্টক এক্সচেঞ্জে সরকারি সিকিউরিটিজ লেনদেনের মাধ্যমে একটি প্রাণবন্ত বন্ড মার্কেট গড়ে তোলার লক্ষ্... বিস্তারিত
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় এক গৃহবধূকে নির্যাতন ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে তাঁর স্বামী ও শাশ... বিস্তারিত
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় টমটম উল্টে শহীদুল ইসলাম ওরফে রাফি (১৪) নামের এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে... বিস্তারিত
৮০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করেও ঋণমুক্ত হতে পারেননি নাটোরের সিংড়ার কৃষক মরু ... বিস্তারিত
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে খেলতে খেলতে পুকুরের পানিতে ডুবে মিতু আক্তার (৫) নামের একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে... বিস্তারিত
বিচারিক ও প্রশাসনিক ফোরামে মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কনডেমড সেলে রাখা ... বিস্তারিত
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আলাদা কার্য... বিস্তারিত
এক বছর আগে ঘোষিত দরের চেয়ে ১-২ টাকা বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় ছয়টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্... বিস্তারিত
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জন... বিস্তারিত
চোখের ইশারায় খুলে যাবে অ্যাপ, আঙুলে ছুঁয়ে সরাতে হবে স্ক্রিন। মাথা নাড়ালেই হবে অনেক কাজ। প্রযু... বিস্তারিত