মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬ ০৭:৫০ এএম
‘সত্যিকারের একটি জীবন’ চান সৌদি আরব থেকে জর্জিয়ায় পালিয়ে যাওয়া দুই বোন। জর্জিয়ায় রাষ্ট্রীয় আশ্রয়ে থাকা এই দুই তরুণী স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। নিজের দেশ ছেড়ে পালানোর কারণ জানতে চাইলে দুই বোনের একজন ২৫ বছর বয়সী ওয়াফা বলেন, ‘আমাদের মুখ ঢেকে রাখতে হতো... রান্নাবান্না করতে হতো, যেন আমরা দাস।’ ২৮ বছর বয়সী বড় বোন মাহা আল-সুবায়ির সঙ্গে পালিয়ে আসা এই তরুণী বলেন, 'আমরা এটা চাই না, আমরা সত্যিকারের একটা জীবন চাই, আমাদের জীবন।’
সবার সহযোগিতা চেয়ে ওয়াফা বলেন, ‘আপনাদের সাহায্য দরকার। আমরা নিরাপত্তা চাই, আমরা এমন একটি দেশে যেতে চাই, যারা আমাদের গ্রহণ করবে এবং আমাদের অধিকার রক্ষা করবে। টুইটারে ‘জর্জিয়াসিস্টারস’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে আন্তর্জাতিক সহায়তাও চেয়েছেন এই দুই বোন। জাতিসংঘের কাছে তারা আবেদন জানিয়েছেন যাতে তাদের তৃতীয় কোনো নিরাপদ দেশে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়। সৌদি আরব থেকে তারা প্রথমে জর্জিয়াতেই তারা কেন গেলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে দুই বোন জানান, জর্জিয়া ভ্রমণে সৌদি আরবের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, এ কারণেই তারা জর্জিয়ায় এসেছেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই দুই বোন বলেন, তারা জর্জিয়াতে নিরাপদ বোধ করছেন না। কারণ এখানে সহজেই তাদের পুরুষ আত্মীয়রা খুঁজে বের করতে পারবেন। এ প্রসঙ্গে আশঙ্কা প্রকাশ করে ওয়াফা বলেন, ‘জর্জিয়া ছোট একটি দেশ এবং আমাদের পরিবারের যে কেউ এখানে আসতে পারে এবং আমাদের ধরে ফেলতে পারে।’ সৌদি আরবে নিরাপত্তাহীনতা বোধ করার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘কারণ হচ্ছে- আমরা নারী। ‘আমাদের দেশে আমাদের পরিবার প্রতিদিন আমাদের হুমকি দেয়।’ তাদের এই বক্তব্যের স্বপক্ষে প্রমাণ রয়েছে বলে জানান ওয়াফার বড় বোন মাহা।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চরম রক্ষণশীল রাজতন্ত্রের দেশ সৌদি আরব থেকে নারীদের পালিয়ে আসার সর্বশেষ উদাহরণ এই দুই বোন। দেশটিতে এখনো মেয়েদের কাজ করা বা ভ্রমণ করতে হলে পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নিতে হয়। এর আগে গত জানুয়ারিতে সৌদি আরব থেকে পালিয়ে আসা ১৮ বছরের তরুণী রাহাফ মোহাম্মদ আল-কুনান তাকে সৌদি আরবে ফেরত পাঠানো ঠেকাতে একটি হোটেলে নিজেকে আবদ্ধ রেখে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত রাহাফকে আশ্রয় দেয় কানাডা।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক পরিচালক সারাহ লেহ হুইটসন বলেন, ‘সৌদি আরবে নারীদের জন্মের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাদের জীবন নিয়ন্ত্রণ করে পুরুষরা।’
তিনি বলেন, ‘জর্জিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার বোনদের অধিকারকে সম্মান জানাবে। এটা সঠিক সিদ্ধান্ত এবং ভালো ব্যবস্থা। কিন্তু সৌদি আরবের নিয়মকানুনের কারণে নারীরা যে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে, সেটার দিকে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত।’ সেই সঙ্গে নির্যাতনের শিকার সৌদি নারীদের অর্থবহ এবং কার্যকরী সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন সারাহ।
অব্যাহত ইসরায়েলি হামলায় গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রাণহানি ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে ... বিস্তারিত
আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরব ও রাশিয়া দিনে যথাক্রমে ১০ লাখ ও তিন লাখ ব্যারেল তেল কম উত্তোলন করব... বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দুটি সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। প্রধান মিত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্... বিস্তারিত
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু অঙ্গীকার করেছেন, যুদ্ধের পর ইসরায়েল গাজার 'সার্বি... বিস্তারিত
According to reports from the UN Secretary-General on children and armed conflict, a total of 2,985 children were killed across 24 countries in 2022, 2,515 in 2021, and 2,674 in 2020 across 22 countries, Save the Children said.“One child’s death is one t... বিস্তারিত
৩২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নির্মাণ ব্যয় ও গ্যাসের মূল্য ব... বিস্তারিত
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আলাদা কার্য... বিস্তারিত
এক বছর আগে ঘোষিত দরের চেয়ে ১-২ টাকা বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় ছয়টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্... বিস্তারিত
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জন... বিস্তারিত
চোখের ইশারায় খুলে যাবে অ্যাপ, আঙুলে ছুঁয়ে সরাতে হবে স্ক্রিন। মাথা নাড়ালেই হবে অনেক কাজ। প্রযু... বিস্তারিত