বুলেট ট্রেন: শুরুর আগে শেষ!

bcv24 ডেস্ক    ০৮:২৮ পিএম, ২০২২-০১-১২    14


বুলেট ট্রেন: শুরুর আগে শেষ!

সারা দেশ স্বপ্ন দেখেছিল, বুলেট ট্রেনে চেপে দিনে দিনে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম ঘুরে আসার, কাজকর্ম সেরে আসার বা আত্মীয়স্বজনের খবর নিয়ে আসার। বন্দরনগরীর সঙ্গে যোগাযোগের সময় কমে আসার অর্থ তো ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হওয়া তা এমনকি বিদেশ মানে ভারতের একাংশ, ভুটান আর নেপালের সঙ্গেও। আয় বাড়বে রেলওয়েরও। হোক না খরচ  ৫০ হাজার  কোটি টাকা। স্বপ্ন ধরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল কিন্তু গত বছরের জুনেই । কিন্তু কিছুদিন না পেরোতেই জানা গেল, সেই স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না।

২০১৮ সালের মে মাসে চুক্তিটি করেছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে। উল্টোপক্ষ ছিল চীন রেলওয়ে

ডিজাইনার করপোরেশন ও মজুমদার এন্টারপ্রাইজেস। হাই স্পিড রেল লাইন নকশা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করতে এই চুক্তি। খরচ ধরা হয়েছিল ১০২ কোটি টাকা। পত্র-পত্রিকায় খবর হয়েছিল এমন-বাংলাদেশ বুলেট ট্রেন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে, আগে কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজকর্ম সেরে নিচ্ছে।  

২০১৯ সালের মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হবার কথা ছিল। খরচের দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারই নিয়েছিল। টঙ্গী-ভৈরবের বদলে নারায়নগঞ্জ-কুমিল্লা বা লাকসাম হয়ে যাওয়ার কথা ছিল রেলপথটির (এখন যায় টঙ্গী, নরসিংদী, ভৈরব, আখাউড়া, কুমিল্লা আর ফেনি হয়ে)। তাতে পথ কমে যাওয়ার কথা প্রায় শত কিলোমিটার। পথ গিয়ে দাঁড়াত শেষে ২৩০ কিলোমিটারে।  ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতে সময় লাগার কথা ছিল দেড় ঘণ্টা মতো (চালন গতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০০ কিলোমিটার)। নতুন কিছু সেতু আর মেঘনা ও শীতলক্ষ্যার ওপর দুটি বৃহদাকার স্প্যান বসানোর কথাও ছিল পরিকল্পনায়।  প্রতিদিন ৫০ হাজার যাত্রী সুযোগ পেত বুলেট ট্রেন চড়ার। সারাদেশ স্বপ্ন দেখেছিল, দিনে দিনে বন্দরনগরী ঘুরে আসার, কাজকর্ম সেরে আসার বা আত্মীয়স্বজনের খবর নিয়ে আসার। বন্দরনগরীর সঙ্গে যোগাযোগের সময় কমে আসার অর্থ তো ব্যবসা বানিজ্য চাঙ্গা হওয়া তা এমনকি বিদেশ মানে ভারতের একাংশ, ভুটান আর নেপালের সঙ্গেও। আয় বাড়বে রেলওয়েরও। হোক না খরচ  ৫০ হাজার  কোটি টাকা। স্বপ্ন ধরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল কিন্তু গত বছরের জুনেই ।

বিশ্বের সব দ্রুতগামী ট্রেন


প্লেনের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার দৌড়ে লেগেছে বুলেট ট্রেনগুলো। নিয়মিত পরিচালনের দিক থেকে চীন এই দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে। যদিও ফ্রান্স ২০০৭ সালে ঘণ্টায় ৫৭৫ কিলোমিটার গতি তুলে চমকে দেওয়ার মতো রেকর্ড গড়েছে কিন্তু এটা এখনো নিয়মিত হয়নি। সিএনএন মারফত নীচে পৃথিবীর দ্রুততম ট্রেনগুলোর তালিকা দেওয়া হলো:  

সাংহাই ম্যাগলেভ- ঘণ্টায় ৪৬০ কিলোমিটার (চীন)

চুম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে কোনো কিছুর সাহায্য ছাড়া শূণ্যে ভেসে চলে যাত্রীবাহী এ ট্রেন। এক্ষেত্রে মাধ্যাকর্ষনজনিত প্রভাব চুম্বকীয় চাপ দ্বারা প্রতিহত করা হয়। ম্যাগনেটিভ লেভিটেশন পদ্ধতিতে ট্রেনটি চলে বলে এটি ম্যাগলেভ ট্রেন। সাংহাইয়ের পুডং বিমানবন্দর থেকে শহর কেন্দ্রের লংইয়াং স্টেশন পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার পথ ট্রেনটি পাড়ি দেয় সাড়ে সাত মিনিটে। চীন ইতিমধ্যে তার ৬০০ কিলোমিটার পথ ম্যাগলেভ ট্রেনের উপযোগী করেছে। চীন ম্যাগলেভ প্রযুক্তি ধার করেছে জার্মানি থেকে। বেইজিং-সাংহাই-হংকং হয়ে চলে চীনেরই আরেকটি ট্রেন নাম সিআর৪০০ গতি তুলতে পারে ৩৫০ কিলোমিটার ঘণ্টায়।

আইসিই৩-৩৩০ কিলোমিটার ঘণ্টায়, জার্মানী  

১৯৯৯ সালে চালু হয়েছে হোয়াইট ওয়ার্ম বা সাদা পোকা  নামে খ্যাত ওই ট্রেন। কোলন থেকে ফ্রাংকফুটে এর চলা শুরু। ২০০২ সালে সাদা পোকা পরিবারের ট্রেনগুলো দুই শহরের মধ্যকার ১৮০ কিলোমিটার দূরত্ব পার হয়েছে মাত্রই ৬২ মিনিটে।  সাধারণত ৩০০ কিলো গতিতে চলে তবে ৩৩০ কিলোমিটার গতি ওঠানোর সামর্থ্য্ রয়েছে এর। একেকটি ট্রেনের আটটি কারে ১৬টি ইলেকট্রিক মোটর বসানো হয়েছে যার শক্তি ১১ হাজার হর্সপাওয়ার। জার্মানী তার মধ্যকার শহরগুলোতে তো বটেই আমস্টারডাম, প্যারিস আর ব্রাসেলসেও চালায় সাদা পোকার দল।

টিজিভি-৩২০ কিলোমিটার ঘণ্টায়, ফ্রান্স  

প্যারিস থেকে লিয়, মার্সাই, স্ট্রাসবুর্গ, লিলে, লন্ডন, ব্রাসেলসে হাই স্পিড ট্রেন চালায় ফ্রান্স। টিজিভির পথ চলা শুরু সেই ১৯৮০ সালে। তারপর থেকে গত ৪০ বছর ধরে ফ্রান্স ট্রেন প্রযুক্তি যেমন উন্নত করে চলেছে, সেসঙ্গে বাড়িয়েছে রেলপথ।

জেআর ইস্ট ই৫-৩২০ কিলোমিটার ঘণ্টা, জাপান

১৯৬৪ সালে জাপানই প্রথম বিশ্বকে বুলেট ট্রেনের ধারণা দেয়। তার শিনকাসেন লাইনগুলোতে গতি, ধারণক্ষমতা আর নিরাপত্তার পরীক্ষা চালিয়ে গেছে বারবার। টোকিও থেকে শিনো আওমোরিতে যে ট্রেনগুলো চলে তার প্রতিটিতে আছে ৭৩১ সিট। ৩২টি ইলেকট্রিক ইনডাকশন মোটর নিয়ে এর শক্তি ১২৯০০ হর্সপাওয়ার।

আল বোরাক- ৩২০ কিলোমিটার ঘণ্টায়, মরক্কো

আফ্রিকার প্রথম এবং এখনো পর্যন্ত একমাত্র হাই স্পিড ট্রেন পরিচালনা করে মরক্কো। শুরু ২০১৮ সালে। দেশটিতে ১৫০০ কিলোমিটার হাই স্পিড নেটওয়ার্ক গেড়ে তোলা হয়েছে। ফরাসীরা এটি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছে মরক্কোকে।

এ তালিকায় আরেকটু নীচের দিকে স্পেন, দক্ষিণ কোরিয়া, ইটালি আর সৌদি আরব আছে।

কত স্বপ্ন ছিল!

ঢাকা-চট্টগ্রাম বুলেট ট্রেন রুট বাস্তবায়ন হলে যোগাযোগে পরিবর্তন কতটা আসবে, জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে আয় কতটা বৃদ্ধি পাবে ইত্যাদি অনেক হিসাব কষা হয়ে গিয়েছিল।  রেলপথ মন্ত্রণালয় এসব হিসাব গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করেছে। মন্ত্রী-এমপিরাও শেয়ার দিয়ে খুশি থেকেছেন। আমরা ভাবছিলাম, দেশ বুঝি চীন, জাপানের কাতারে উঠে যাচ্ছে। আসলে কিন্তু আড়ালেই থেকে গেছে, এমন প্রকল্প কতটা বাস্তব সে আলোচনা। জানা গিয়েছিল, এর ট্র্যাক হবে পাথরবিহীন। এটি তেল বা কয়লায় নয় চলবে বিদ্যুতে। বলা হয়েছিল ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী ও চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপের আদলে হবে ৫টি স্টেশন। প্রতিটি স্টেশন ঘিরে হবে মাল্টি মোডাল ট্রানজিট হাব। পাহাড়তলী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত কোনো  স্টেশন থাকবে না। কক্সবাজারে হবে সবচেয়ে আধুনিক স্টেশনটি।

উল্টোরথ


এখন বাংলাদেশে চালু আছে ডিজেল চালিত ইঞ্জিন রেল। পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই এমনটি নেই আর। প্রায় সবই ইলেকট্রিক ট্রেন। দেশ স্বাধীন হবার সময় রেল ইঞ্জিন ছিল ৪৮৬টি আর এখন আছে ২৬০টি। সেগুলোর আবার ৭৬ শতাংশের মেয়াদ শেষ। ইউরোপ আমেরিকায় এসব ইঞ্জিন কেবল জাদুঘরেরই শোভা বাড়াচ্ছে। তাহলে তো বোঝাই যাচ্ছে পুরো ব্যবস্থাটাই বার্ধক্যে ভুগছে মানে জরাগ্রস্ত মানে ঝুকিপূর্ণ মানে নাজুক। পাশের দেশ ভারতও কিন্তু এমন ইঞ্জিন বাদ দিয়ে ইলেকট্রিক যুগে প্রবেশ করেছে। আমরা ভারতের ফেলে দেওয়া পুরোনো ইঞ্জিন উপহার হিসাবে নিয়ে আসছি। কদিন আগেই না ২০টি ইঞ্জিন ভারত থেকে নিয়ে এসে আমরা সংকট মোচনের চেষ্টা করেছি?

এবার রেললাইনের কথায় আসা যাক, ৮০ শতাংশই ব্রিটিশ আমলে তৈরি। জং ধরা লোহার স্লিপারই আমাদের সম্বল। রেলপথ মন্ত্রণালয় নিজেই বলছে, আমাদের প্রায় ৬০ ভাগ রেলপথ ঝুকিপূর্ণ। পুরোনো লাইন বলে গতি প্রতিদিনই কমছে। রেল কর্তৃপক্ষ প্রতিটি ট্রেনের সময় এক থেকে দেড় ঘণ্টা বাড়িয়েছে। চালকদের নির্দেশ দিয়েছে ধীরে চলতে কারণ ওই ঝুকিপূর্ণ রেললাইন আর রেলেসেতু। বুড়ো ইঞ্জিনও কি চলতে পারে আগের মতো?  

যেখানে বুলেট ট্রেন চালানোর কথা ভাবা হচ্ছে সেখানে ট্রেনের গতি কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে! এখন পর্যন্ত এক ধরণের সিগন্যাল ব্যবস্থায়ও আসতে পারেনি আমাদের রেল, ৪/৫ ধরণের সিগন্যাল ব্যবস্থায় চলছে। শীতের সময় কুয়াশা থেকে বাঁচতে চালু আছে ব্রিটিশ আমলের পটকা সিগন্যাল পদ্ধতি।  এখনো হাত দিয়ে নামানো হয় লেভেল ক্রসিং। অথচ সিগন্যাল ব্যবস্থায়া সব দেশই চলে গেছে অটোমেশনে।

ভারত রেল উন্নত কারণ মেরামতের যন্ত্রপাতি ওরা কেনে খুব অল্প। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিজেরাই তৈরি করতে পারে। বিদেশ নির্ভর সব দেশই লোকসান গোনো। ভারত নিজেই ইঞ্জিন ও কোচ উৎপাদন করে এমনকি বিদেশেও রপ্তানি করে।

১৮৭০ সালে আমাদের দেশে ভারতের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে কারখানা গড়ে তোলা হয়েছিল। ২১০ একর জমির ওপর এ কারখানা। ১২ হাজার যন্ত্রপাতি তৈরি হতো সেখানে। যাত্রীবাহী কোচও উৎপাদন হতো। সেই কারখানা এখন বন্ধ। নব্বুইয়ের দশকেও এখানে ৫-৭ হাজার মানুষ কাজ করতো। এখন করে মাত্র ৭০০। আমরা তাই পুরোপুরি বিদেশ নির্ভর হয়ে উঠেছি। প্রতি বছর বিদেশ থেকে আমদানী করতে হয় ১০০ কোটি টাকার যন্ত্রাংশ। চট্টগ্রাম পাহাড়তলী আর পার্বতীপুরের লোকোমোটিভ কারখানার হালও একই।

এখন দেশে রেলস্টেশনের সংখ্যা ১০০টি। লোকবলের অভাবে বন্ধ হচ্ছে স্টেশন। দেশে ডেমু ট্রেনের দক্ষ জনবল আর মেরামত কারখানা না থাকায় বিকল হয়ে আছে ট্রেনগুলো। এই পরিস্থিতিতে  বুলেট টেন?  কে এখন বলবেন না- সেলুকাস বড় বিচিত্র এ দেশ।  

তাহলে কি আশা নেই কোনো?

বিবিসি মারফত জানলাম, রেলমন্ত্রী দাবী করেছেন যে বুলেট ট্রেন প্রকল্প একেবারে বাতিল হয়ে যায়নি। বিবিসিকে বলছিলেন, ' আমরা সম্ভাব্যতা যাচাই ও নকশার কাজ শেষ করেছি। প্রথমে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও পরে তা কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। কিন্তু এই প্রকল্পে হাত দেওয়ার আগে আমাদের কিছু স্বল্প ও মধ্যমেয়াদী প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে।'

রেল মন্ত্রণালয় এখন পদ্মা সেতু রেল লিংক প্রকল্প, দোহাজারী থেকে কক্সবাজার-রামু ব্রডগেজ রেললাইন, লাকসাম-আখাউড়া ব্রডগেজ লাইন, টঙ্গী-আখাউড়া ব্রডগেজ লাইনসহ বেশ কিছু সিঙ্গেল লাইন ডাবল লাইনে রুপান্তরের কাজ চলছে।

মন্ত্রী বলছেন, এসব প্রকল্প শেষ করে বুলেট ট্রেনের মতো মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু করতে যেন সমস্যা না হয় সেজন্যই বুলেট ট্রেন ও লাইনের সম্ভাব্যতা যাচাই ও নকশার কাজ করে রাখা হয়েছে।

কিন্তু গণপরিবহন বিশ্লেষক ও বুয়েটের শিক্ষক অধ্যাপক শামসুল হক বলছেন, প্রজেক্টটাই ছিল একটি চাপানো প্রজেক্ট যা এসেছিল পেছনের দরজা দিয়ে। বুলেট ট্রেন তো ইলেক্ট্রিফিকেশনের দ্বিতীয় ধাপ। বাংলাদেশ তো প্রথম ধাপই এখনো শুরু করতে পারেনি।

খবরটি জানার পর

বুলেট ট্রেনের স্বপ্ন আটকে যাওয়ার খবর চাউড় হওয়ার পর ফেসবুকে নাজমুল হাসান নয়ন লিখছেন, জন্মের আগেই বুলেট ট্রেন মারা গেল। মোঃ সোহেল লিখছেন, ১১০ কোটি টাকা!!! ১ লাখ টাকা করে দিলে কত মানুষকে দেওয়া যেত? সাকিব বিন রাজ্জাক বলছেন, লাখ কোটি টাকা নষ্ট হওয়া থেকে যে বাঁচলেন সেটা কিছু না! অ্যাপ্রিশিয়েট করেন জেনে বুঝে সরে আসাটাকে। মেঘ মহাসিন বলছেন, জন্ম হবে ভাবতেই গেল ১১০ কোটি টাকা।


রিটেলেড নিউজ

খালেদাকে বিদেশে নিতে রিট শুনানির জন্য ভার্চুয়াল কোর্টে ফের আবেদন

খালেদাকে বিদেশে নিতে রিট শুনানির জন্য ভার্চুয়াল কোর্টে ফের আবেদন

bcv24 ডেস্ক

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে করা রিট শুনানির জন্য ভার্চুয়াল কোর্টে ফের আবেদন কর... বিস্তারিত

বাংলাদেশের করোনা রোগীর ২০ শতাংশই ওমিক্রন আক্রান্ত

বাংলাদেশের করোনা রোগীর ২০ শতাংশই ওমিক্রন আক্রান্ত

bcv24 ডেস্ক

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ২০ শতাংশই দক্ষিণ আফ্রিকার ধরন ওমিক্রনে আক্রান্ত। মঙ্... বিস্তারিত

মৃত্যু ১০ ওমিক্রন শনাক্তি বাড়ছে বাংলাদেশে

মৃত্যু ১০ ওমিক্রন শনাক্তি বাড়ছে বাংলাদেশে

bcv24 ডেস্ক

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৮ হ... বিস্তারিত

খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ড. তাজমেরী কারাগারে

খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ড. তাজমেরী কারাগারে

bcv24 ডেস্ক

খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস ইসল... বিস্তারিত

মিতুর দুই সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে চায় পিবিআই

মিতুর দুই সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে চায় পিবিআই

bcv24 ডেস্ক

সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম ওরফে মিতু হত্যা মামলায় তাঁদের দুই সন্ত... বিস্তারিত

সিনহাকে খুন করেছে লিয়াকত, আমি নির্দোষ: ওসি প্রদীপ

সিনহাকে খুন করেছে লিয়াকত, আমি নির্দোষ: ওসি প্রদীপ

ড. হারুন অর রশিদ

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহাকে খুনের জন্য পরিদর্শক লিয়াকতকে দায়ী করে বিচারকের কাছে নিজের প্রতি সদয় হওয়... বিস্তারিত

সর্বশেষ

 বাংলাদেশের আস সালাম মসজিদ কেন অনন্য?

বাংলাদেশের আস সালাম মসজিদ কেন অনন্য?

bcv24 ডেস্ক

চোখ ধাঁধানো স্থাপত্যের জটিল সংমিশ্রণ আর দৃষ্টিনন্দন চেহারার এক অনন্য স্থাপনা আস-সালাম জামে মসজিদ... বিস্তারিত

চোখ কী বয়স বলে দেবে?

চোখ কী বয়স বলে দেবে?

bcv24 ডেস্ক

জন্মের পর থেকে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন কারণে চোখের প্রকৃত জৈবিক স্বাস্থ্য এবং ব্যক্তির প্র... বিস্তারিত

সড়ক দুর্ঘটনায় সময়ের আলোর সাংবাদিক হাবীবুর রহমান নিহত

সড়ক দুর্ঘটনায় সময়ের আলোর সাংবাদিক হাবীবুর রহমান নিহত

bcv24 ডেস্ক

দৈনিক সময়ের আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হাবীবুর রহমান মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার গ... বিস্তারিত

 আলপিনে সাংবাদিকতা করবেন ববি, সঙ্গী মিলন ও জন

আলপিনে সাংবাদিকতা করবেন ববি, সঙ্গী মিলন ও জন

ড. হারুন অর রশিদ

ইফতেখার চৌধুরীর ‘দেহরক্ষী’ ছবিতে প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন আনিসুর রহমান মিলন ও ইয়ামিন হক ববি। পরে ‘ব... বিস্তারিত